যত্তসব অযোগ্য রচনার স্বারকলিপি তৈরি হচ্ছে
ঐ তো-ঐ খানে----
ঐ তো ঐখানে ঘুমিয়ে আছে কাজী নজরুল
ঐ যে ঐখানে ঘুমিয়ে আছে বাংলার কর্ণধার
শেখ মুজীব
ঐ যে ঐখানে ঘুমিয়ে আছে শহীদ সালাম, বরকত,
রফিক
জব্বার সহ আরো অনেকে,
ঐ তো সেই মুজীবনগরের আম্রকানন
দেখ কেমন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে
রাশি রাশি সারি সারি আমগাছের বাগানের
মধ্যে
বিশাল শহীদ মীনার
বিজয়ের প্রতীক
নিশ্চল, নিস্তব্ধ, নিস্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে
গর্বিত মাথা,
স্বাধীনতার স্তম্ভ--
স্বাধীনতার প্রতীক
স্বাধিকারের তেজি ঘোড়া
জাগ্রত বাঙ্গালীর বিমূর্ত প্রতিক
জয়বাংলার রূপকার।
বীর নেপোলিয়ন নয়, নয় বীর টলষ্টয়
ও যেন বাঙ্গালীর অমর গাঁথা।
ও যেন বাঙ্গালীর বিশালতার বিশালতা
অথচ স্বাধীনতা! আহা! কি মিষ্টতা?
স্বাধীনতার আস্ফালনে আজ বিমূর্ত প্রতিকই
বুঝি ঐ যে ঐ পথ শিশু?
রক্তকরবীও বুঝি আজ বিদগ্ধ
দূরন্ত ষাড়ের মুখ থেকে আজ ছিনিয়ে আনতে
হচ্ছে লাল পদ্ম
বিশ্ব সংসার তছনছ করে খুঁজতে হচ্ছে আজ
স্বাধীনতা! স্বাধিকার!
হে,-বাংলার মানুষ-
স্বাধীন হওয়ার
পর আরও একবার স্বাধীন হওয়ার স্বাদ পেতে
আর কত তাজা ফুল এভাবে বিসর্জন দিতে হবে
আর কত জীবন সমার্পণ করবে ৭১’র ঘাতক
দালালদের?
হে-বাংলার মানুষ-
একমুঠো ভাতের জন্যে নিষ্পাপ শিশুটি
আর কত লাঠি, ঝাটা জুতো খাবে
বিবেকহীন নরপিশাচদের কাছে আর কত
নিষ্পেষিত হবে
আর কত অনুসূচনার আঙ্গারে ভষ্মিভূত হবে
সময়ের প্রতিটা সময়ে আর কত জন্মের অধিকারে
অনাধিকার চর্চ্চায় নিজেকে আবৃত করে রাখবে
আর কতবার, কত বেশি দহনে দগ্ধে বিদগ্ধ হবে?
এখন আর পিছন ফেরার পালা নয়
এবার সম্মুখপানে অগ্রসর হওয়ার পালা
এক, দুই, তিন এভাবে এগিয়েছি—অনেক
দেশের জন্যেও যুদ্ধ করেছি অনেক
এবার যুদ্ধ হবে পেটের জন্যে
পরাধীনতার জন্যে নয়—এবারের যুদ্ধ
সুখ সুখ উদরপূর্তির জন্যে?
তারপর হবে—স্বাধীনতার পালা
আবার আসবে--স্বাধীনতার পালা
আবার শুরু হবে--যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা
আবার আসবে স্বাধীনতা--!
--------------------------------------------- --------------------- ২৫ শে ১৯৯৯ খৃষ্টাব্দ। গোহাটা মসজিদ রোড, কালীগঞ্জ.
ঐ তো-ঐ খানে----
ঐ তো ঐখানে ঘুমিয়ে আছে কাজী নজরুল
ঐ যে ঐখানে ঘুমিয়ে আছে বাংলার কর্ণধার
শেখ মুজীব
ঐ যে ঐখানে ঘুমিয়ে আছে শহীদ সালাম, বরকত,
রফিক
জব্বার সহ আরো অনেকে,
ঐ তো সেই মুজীবনগরের আম্রকানন
দেখ কেমন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে
রাশি রাশি সারি সারি আমগাছের বাগানের
মধ্যে
বিশাল শহীদ মীনার
বিজয়ের প্রতীক
নিশ্চল, নিস্তব্ধ, নিস্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে
গর্বিত মাথা,
স্বাধীনতার স্তম্ভ--
স্বাধীনতার প্রতীক
স্বাধিকারের তেজি ঘোড়া
জাগ্রত বাঙ্গালীর বিমূর্ত প্রতিক
জয়বাংলার রূপকার।
বীর নেপোলিয়ন নয়, নয় বীর টলষ্টয়
ও যেন বাঙ্গালীর অমর গাঁথা।
ও যেন বাঙ্গালীর বিশালতার বিশালতা
অথচ স্বাধীনতা! আহা! কি মিষ্টতা?
স্বাধীনতার আস্ফালনে আজ বিমূর্ত প্রতিকই
বুঝি ঐ যে ঐ পথ শিশু?
রক্তকরবীও বুঝি আজ বিদগ্ধ
দূরন্ত ষাড়ের মুখ থেকে আজ ছিনিয়ে আনতে
হচ্ছে লাল পদ্ম
বিশ্ব সংসার তছনছ করে খুঁজতে হচ্ছে আজ
স্বাধীনতা! স্বাধিকার!
হে,-বাংলার মানুষ-
স্বাধীন হওয়ার
পর আরও একবার স্বাধীন হওয়ার স্বাদ পেতে
আর কত তাজা ফুল এভাবে বিসর্জন দিতে হবে
আর কত জীবন সমার্পণ করবে ৭১’র ঘাতক
দালালদের?
হে-বাংলার মানুষ-
একমুঠো ভাতের জন্যে নিষ্পাপ শিশুটি
আর কত লাঠি, ঝাটা জুতো খাবে
বিবেকহীন নরপিশাচদের কাছে আর কত
নিষ্পেষিত হবে
আর কত অনুসূচনার আঙ্গারে ভষ্মিভূত হবে
সময়ের প্রতিটা সময়ে আর কত জন্মের অধিকারে
অনাধিকার চর্চ্চায় নিজেকে আবৃত করে রাখবে
আর কতবার, কত বেশি দহনে দগ্ধে বিদগ্ধ হবে?
এখন আর পিছন ফেরার পালা নয়
এবার সম্মুখপানে অগ্রসর হওয়ার পালা
এক, দুই, তিন এভাবে এগিয়েছি—অনেক
দেশের জন্যেও যুদ্ধ করেছি অনেক
এবার যুদ্ধ হবে পেটের জন্যে
পরাধীনতার জন্যে নয়—এবারের যুদ্ধ
সুখ সুখ উদরপূর্তির জন্যে?
তারপর হবে—স্বাধীনতার পালা
আবার আসবে--স্বাধীনতার পালা
আবার শুরু হবে--যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা
আবার আসবে স্বাধীনতা--!
--------------------------------------------- --------------------- ২৫ শে ১৯৯৯ খৃষ্টাব্দ। গোহাটা মসজিদ রোড, কালীগঞ্জ.
No comments:
Post a Comment