শোকে বিহ্বল!
বলা যায়, এর স্থায়িত্বকাল?
নিরেট ক্ষণকাল !
না কি থাকে চিরকাল?
সবার বড় শোক
পিতা মাতার মৃত্যু? না যায়, থাকে ইহলোক
বড় শোক,সন্তানে
যার নেই, তার মনে পীড়া দেয় সর্বক্ষণে
অার যার অাছে, তার?
কেন যে দিলে, নাহলেই চলতো,বিরক্তিকর
পুত্র সন্তানের শোক?
সেও বুঝি একই নিয়ামক
যার পুত্র নেই,অাশায় তিন, চার মেয়ে মেলে
তারপরও চেয়ে থাকে যদি হয় ছেলে
অার যার পুত্র অাছে, সে?
কেন যে দিলে, মেয়েরাই লক্ষ্যি ছিল যে
স্ত্রী'র বিয়োগের!
সে শোকও কি বেশি দিনের ?
প্রথম দিকে কিছুদিন স্মৃতিচারণ
তারপর চলে রোমন্থন
হঠাৎ বলে শুনেন
না, এভাবে অার চলে কি জীবন?
অন্তত: সময় কাটতে, সঙ্গী তো দরকার
সঙসার, সম্পদ সুরক্ষার, চাই নিরাপত্তার
প্রিয়ার বিরহ?
সে অারোও ক্ষণ কালের প্রদাহ
তবে, সবি চলে যায়,
ভোলা হয়, ভুলে যায়
অাবার ফিরে ফিরে পায়
পুনঃ পুনঃ নূতনীকরণে সাজায়
প্রতিটি শোকের মাতম শেষে
জীবনের নূতন সুর অাসে ভেসে
অাসে নূতন তিলকে
নূতন অালোকে, নূতন পলকে
তাই বলি, বাঙালীর শোক
সে তো তিষ্ঠক্ষণকালের বিহ্বলতার শ্লোক।
লেখকঃ
রফিকুল ইসলাম সরকার (সুপ্তকূঁড়ি)
(ছড়াকার, কবি, কলামিস্ট, উন্নয়ন কর্মী)

No comments:
Post a Comment