মাননীয় সড়ক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ=================
ট্রাফিক পুলিশের ক্ষমতা বাড়িয়ে দিন অথবা লাগাম টানুন
------------------------------------
মাননীয় সড়ক মন্ত্রী প্রথমেই আপনাকে বলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ক্ষমতা বাড়িয়ে দিন অথবা লাগাম টেনে ধরুন।
মাননীয় সড়ক মন্ত্রী আপনার কঠোর পরিশ্রম আর অংশগ্রহণ মূলক স্পষ্ট ভাষণ আমার মন কাড়ে।মনে আছে স্কুল ছাত্রীর কথামত বাস সার্ভিস চালুর কথা।মটর সাইকেলসহ সকল যানবাহনের রেজিষ্টেশন,ডিজিটাল নাম্বার প্লেট সংযোজন, ফিটনেস বিহীন গাড়ির উপর নিষেধাজ্ঞা ,রেজিষ্টেশনে কিস্তি সুবিধা চালু করে উদ্বুদ্ধ করা সহ বেশ কিছু বিষয়ে আপনার সফলতা দারুণ।তবে আজও পারেননি জ্বালানি তেলের দাম কমার সাথে সাথে পরিবহণের ভাড়া কমাতে।পারেননি বিআরটিএ হতে দালাল নির্মূল করতে।আজও গাড়ির কাগজ বলুন আর ড্রাইভিং লাইসেন্স বলুন -কোন কাজই দালাল অথবা ঘুষ ছাড়া হয় না।নিয়ম বহির্ভূত ফি ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না।
আর বর্তমানে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে গিয়ে আপনি ট্রাফিক পুলিশের দৌরাত্ব এমনভাবে বাড়িয়ে দিয়েছেন তার খোজ কি আপনি রাখেন ? প্রতি মাসে সেরা ট্রাফিকের মর্যাদা নিতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা কেস দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ।
মামুলি অজুহাতে যেমন কেস দিয়ে কমিশন পেতে মরিয়া তেমনি চাঁদাবাজিও বেড়েছে কয়েকগুন।কেস কমিশন , চাঁদাবাজির সাথে সাথে সেরা হবার সুযোগ যেন বর্তমানে ট্রাফিক পুলিশের পোয়াবারো ।আর এ কাজে প্রায়ই সহযোগিতা করতে দেখা যায় ক্ষমতাসীন দলের অনেক ছা পোনা কে।এসব চাটুকারের দল একটু দুরে দাড়িয়ে যানবাহন মালিক বা চালকদের বিভিন্ন রকম কেসের ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং সার্জেন্টের কাছের লোক বলে চাঁদাবাজি করে।এই চাঁদাবাজির একটি অংশ সার্জেন্টের হাত ঘুরে ঐসব পাতি নেতাদের পকেটে যায়।আর এসব চাঁদাবাজি বা কেসের শিকার বেশির ভাগ মালিক বা চালক নিতান্তই অরাজনৈতিক ,ভদ্র ও শান্ত।আর যত রাজনৈতিক , ক্যাডার ,মাস্তান ,ধনীর ঘরের আদরের পোলা সব সার্জেন্টের চোখের সামনে দিয়ে নম্বর প্লেট ছাড়া , ড্রাইভিং ছাড়া ,খালি মাথায় দেদার্চে বেপরোয়া গাড়ি চালাছে কিন্তু এ ব্যাপারে তারা নির্বাক।যে গোবেচারা আজ গাড়ি কিনে কাল কাগজ করতে যাচ্ছে তাকে পথিমধ্যে কেস দিয়ে গাড়ি পাকড়াও করছে, অথবা যে মানুষটি আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আজই ড্রাইভিং করতে যাচ্ছে,পকেটে লার্নার করার সকল কাগজ তা দেখালেও মাফ পায় না সার্জেন্ট এর কাছ থেকে।কেস ফাইল বেশি করার আসায় ভুলে গেছে নীতি নৈতিকতা।অথচ আইন যেখানে প্রয়োগ করার কথা তারা ট্রাফিকে নাকের ডগা দিয়ে পার হয়ে যায়।আর এর বাইরে জোর জবরদস্তি , আইন না জানা দের ভিন্ন ভিন্ন কেসে ফাসানোর মত ঘটনা তো আছেই।
তাই বলছি মাননীয় মন্ত্রীদ্বয় আপনারা বসে আলোচনার ভিত্তিতে ট্রাফিকদের ক্ষমতা বাড়িয়ে দিন ।যাতে করে নাকের ডগা দিয়ে যারা পার হয়ে যায় ভুং ভাং গাড়ি নিয়ে ,নাম্বার প্লেট ছাড়া ,ড্রাইভিং ছাড়া -সেইসব ক্ষমতাবানদের যেন আইনের আশ্রয়ে নিতে পারে।আর সড়ক মন্ত্রী এখন আপনি দলের সংবেদনশীল জায়গাটিতে অবস্থান করছেন ,তাই ঐ সব ছা পোনা নেতাদের খোজ নিন, ওদের ও গুরুত্বপূর্ণ পদ দিন ,যাতে ওরা ট্রাফিক সার্জেন্টদের আরো শক্তিশালি করতে পারে।
অথবা
প্লিজ মাননীয় মন্ত্রী আপনি ট্রাফিকদের লাগাম টানুন।এমনিতে রোড ট্যাক্স খাত হতে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় করছেন।সেই পরিমাণ সেবা আপনি এখনও গাড়ি মালিকদের দিতে পারেননি ।যদি গত বছরের তুলনায় রাস্তার অবস্থার কিছু উন্নয়ন হয়েছে তারপরও এখনও গ্রাম শহরের অনেক রাস্তায় গাড়ি চালালে মটর বাইকের গলার বল রেসার , টায়ার টিউব ,ব্রেক সু ,মিটার মাইল কেবল এতো ঘন ঘন পাল্টাতে হয় তখন আর রোড ট্যাক্স দিতে মন চায় না।আপনার রোড ব্যবহার করতে হয় বলে রোড ট্যাক্স দিয়ে থাকি।কিন্তু রোড ট্যাক্স দেবার পর যাতে সেই পরিমাণ সেবা রোড হতে পাই এটা আমার ভোক্তা অধিকার ।সবশেষে সাধারণের জানার জন্য ট্রাফিক কোন আইনে কত জরিমানা তা জানানো হলো ইমেজ আকারে।

No comments:
Post a Comment