যা দেখি তাই লিখি=======
মাথা।
আমি আজ অনেকটা জোর করে লিখতে বসছি। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে,ভেতরেও জলের ঝাপটা আসছে। জানালার কাঁচে বিন্দু বিন্দু জল জমছে। মাঝে মাঝে দমকা বাতাস দেওয়ালে ঝোলানো ক্যালেন্ডারের পাতাকে উল্টে দিচ্ছে। ঠিক যেমনটা সময়ের ব্যবধানে জীবনের গল্পগুলো পাল্টে যায়। একটি অচেনা পাখি পাশের ছাদের চিলেকোঠার টিনে বসে ভেজে শরীরটাকে ঠোট দিয়ে ঠুকরে জল বের করার ব্যর্থ চেষ্টা করছে আর ভিজছে। হয়ত পাখিটি পথ হারিয়েছে অথবা মাথা গোজার ঠিকানা, এমনও হতে পারে সঙ্গী হারিয়ে মাথার কোষগুলো আর কাজ করছে না। এই মাথাটা আসলে কর্তা। সকল কর্ম এই মাথাকে ঘিরে। এই যন্ত্রটা বিকল হলে পাল্টে যায় জীবনের গল্প। আজ বিকালে বাসায় ফেরার পথে দেখলাম একজন মস্তিষ্ক বিকৃত মহিলা রাস্তার একটি অংশ জুড়ে মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে।সারা শরীরে কয়েক পর্দা ময়লা ছেড়া কাপড়। কয়েক মিনিট এভাবে গড়াগড়ি দেবার পর হঠাৎ উঠে দৌড় দিল। তারপর পাশের একটি মটর সাইকেল গ্যারেজ হতে বালতি নিয়ে চাপকল হতে পানি ভরে মাথায়,সারা শরীরে ঢালতে শুরু করল। এভাবে চলতেই থাকলো বেশ কিছু সময়। আমার বাসায় আসার তাড়া ছিল তাই বাইরের চক্ষুকে নিবারণ করতে হলো,কিন্তু অন্তর চক্ষু ঐ মস্তিষ্ক বিকৃত মহিলার কাছে পড়ে রইল। শুধু পড়ে রইল বললে ভুল হবে, বিষয়টি থেকে বের হতে পারছি না। শৈশবে গল্প শুনেছিলাম কলাগাছে বাজ ( মেঘের বজ্রপাত) পড়লে আটকে থাকে, ওখান থেকে আর উঠে যেতে পারে না -আমার অবস্থা তেমনি হয়েছে। অন্তর চক্ষু এক জায়গায় থেকে চিন্তার কোষগুলো লাটিমের মত ঘুরছে। হায়রে নিয়তি!! হয়ত শরীরের কোন অংশে অসহ্য যন্ত্রণায় এমন অবস্থা। যদি মস্তিষ্ক বিকৃতি না ঘটতো তবে এ সময় আত্মীয় পরিজনদের ছুটোছুটি শুরু হতো, অথবা ঐ মহিলা চিৎকার করে বলতো আমার এ সমস্যা হচ্ছে। যদি অসহায় ঘর বাড়িহীন রাস্তায় জন্ম নেওয়া কেউ হতো, তবুও তার কষ্টের কথাগুলো রাস্তার মানুষকেও বলতে পারতো। কিন্তু ঐ মহিলার মূল যন্ত্র তথা মাথা বিকল হওয়ায় সুখ, দুঃখ,আনন্দ,বেদনা,কষ্ট,যন্ত্রণা কোন কিছুই আর তাকে স্পর্শ করে না। বাড়িঘর আত্মীয় পরিজন এখন কেউই আর আপন নয়। এই মানুষগুলোর জন্য বড়ই কষ্ট হয়। আজ কি লিখছি, কেন লিখছি তা আমি জানি না। শুধু মনে হচ্ছে মানুষের মাথাটা যেন ঠিক থাকে। একটানা বিছানায় শুয়েও যেন উপলদ্ধি করতে পারে আমি মানুষ,পরিবারে আমার প্রয়োজন হারিয়েছে। হয়ত এই লেখাতে কোন সারকথা কেউ খুজে পাবে না,কারণ আমার নিজের মাথাটায় এলোমেলো আজ। তবুও বলছি পৃথিবীর সব মানুষের মাথা যেন ভাল থাকে, মস্তিষ্ক বিকৃত মানুষগুলো যেন ভাল হয়ে পরিবারের ঠিকানা পায়, ঐ মানুষগুলোকে পথে ছেড়ে দিবেন না, ভালবাসা দিয়ে আগলে রাখার চেষ্টা করুন, হয়ত বেশ কষ্ট হবে। তবুও.....
মাথা।
আমি আজ অনেকটা জোর করে লিখতে বসছি। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে,ভেতরেও জলের ঝাপটা আসছে। জানালার কাঁচে বিন্দু বিন্দু জল জমছে। মাঝে মাঝে দমকা বাতাস দেওয়ালে ঝোলানো ক্যালেন্ডারের পাতাকে উল্টে দিচ্ছে। ঠিক যেমনটা সময়ের ব্যবধানে জীবনের গল্পগুলো পাল্টে যায়। একটি অচেনা পাখি পাশের ছাদের চিলেকোঠার টিনে বসে ভেজে শরীরটাকে ঠোট দিয়ে ঠুকরে জল বের করার ব্যর্থ চেষ্টা করছে আর ভিজছে। হয়ত পাখিটি পথ হারিয়েছে অথবা মাথা গোজার ঠিকানা, এমনও হতে পারে সঙ্গী হারিয়ে মাথার কোষগুলো আর কাজ করছে না। এই মাথাটা আসলে কর্তা। সকল কর্ম এই মাথাকে ঘিরে। এই যন্ত্রটা বিকল হলে পাল্টে যায় জীবনের গল্প। আজ বিকালে বাসায় ফেরার পথে দেখলাম একজন মস্তিষ্ক বিকৃত মহিলা রাস্তার একটি অংশ জুড়ে মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে।সারা শরীরে কয়েক পর্দা ময়লা ছেড়া কাপড়। কয়েক মিনিট এভাবে গড়াগড়ি দেবার পর হঠাৎ উঠে দৌড় দিল। তারপর পাশের একটি মটর সাইকেল গ্যারেজ হতে বালতি নিয়ে চাপকল হতে পানি ভরে মাথায়,সারা শরীরে ঢালতে শুরু করল। এভাবে চলতেই থাকলো বেশ কিছু সময়। আমার বাসায় আসার তাড়া ছিল তাই বাইরের চক্ষুকে নিবারণ করতে হলো,কিন্তু অন্তর চক্ষু ঐ মস্তিষ্ক বিকৃত মহিলার কাছে পড়ে রইল। শুধু পড়ে রইল বললে ভুল হবে, বিষয়টি থেকে বের হতে পারছি না। শৈশবে গল্প শুনেছিলাম কলাগাছে বাজ ( মেঘের বজ্রপাত) পড়লে আটকে থাকে, ওখান থেকে আর উঠে যেতে পারে না -আমার অবস্থা তেমনি হয়েছে। অন্তর চক্ষু এক জায়গায় থেকে চিন্তার কোষগুলো লাটিমের মত ঘুরছে। হায়রে নিয়তি!! হয়ত শরীরের কোন অংশে অসহ্য যন্ত্রণায় এমন অবস্থা। যদি মস্তিষ্ক বিকৃতি না ঘটতো তবে এ সময় আত্মীয় পরিজনদের ছুটোছুটি শুরু হতো, অথবা ঐ মহিলা চিৎকার করে বলতো আমার এ সমস্যা হচ্ছে। যদি অসহায় ঘর বাড়িহীন রাস্তায় জন্ম নেওয়া কেউ হতো, তবুও তার কষ্টের কথাগুলো রাস্তার মানুষকেও বলতে পারতো। কিন্তু ঐ মহিলার মূল যন্ত্র তথা মাথা বিকল হওয়ায় সুখ, দুঃখ,আনন্দ,বেদনা,কষ্ট,যন্ত্রণা কোন কিছুই আর তাকে স্পর্শ করে না। বাড়িঘর আত্মীয় পরিজন এখন কেউই আর আপন নয়। এই মানুষগুলোর জন্য বড়ই কষ্ট হয়। আজ কি লিখছি, কেন লিখছি তা আমি জানি না। শুধু মনে হচ্ছে মানুষের মাথাটা যেন ঠিক থাকে। একটানা বিছানায় শুয়েও যেন উপলদ্ধি করতে পারে আমি মানুষ,পরিবারে আমার প্রয়োজন হারিয়েছে। হয়ত এই লেখাতে কোন সারকথা কেউ খুজে পাবে না,কারণ আমার নিজের মাথাটায় এলোমেলো আজ। তবুও বলছি পৃথিবীর সব মানুষের মাথা যেন ভাল থাকে, মস্তিষ্ক বিকৃত মানুষগুলো যেন ভাল হয়ে পরিবারের ঠিকানা পায়, ঐ মানুষগুলোকে পথে ছেড়ে দিবেন না, ভালবাসা দিয়ে আগলে রাখার চেষ্টা করুন, হয়ত বেশ কষ্ট হবে। তবুও.....
No comments:
Post a Comment